If you have permission to edit this content, using the "Reuse / Edit" action will allow you to check the content out into your Personal Workspace or
a shared Workgroup and then make your edits.
Derive a copy
If you don't have permission to edit the content, you can still use "Reuse / Edit" to adapt the content
by creating a derived copy of it and then editing and publishing the copy.
A lens is a custom
view of the content in the repository. You can think of it as a
fancy kind of list that will let you see content
through the eyes of organizations and people you
trust.
What is in a lens?
Lens makers
point to materials (modules and
collections), creating a guide that includes their own
comments and descriptive tags about the content.
Who can create a lens?
Any individual
member, a community, or a respected
organization.
What are tags?
Tags are descriptors
added by lens makers to help label content, attaching a
vocabulary that is meaningful in the context of the lens.
'My Favorites' is a special kind of lens which you can use to bookmark modules and
collections. 'My Favorites' can only be seen by you, and collections
saved in 'My Favorites' can remember the last module you were on. You need an account
to use 'My Favorites'.
Summary: তরল পদার্থের চাপের বৈশিষ্ট্য, তরলের চাপমাপক যন্ত্র, প্যাচকেলের সূত্র,আর্কিমিডিসের নীতির প্রমান ও প্রয়োগ বিষয়ে জানা ও প্রমাণ করা যাবে।
ভূমিকা
আমরা অনেকেই নদীতে বা পুকুরে সাঁতার কাটি। সাঁতার কাটতে যেয়ে অনেকে ভাল সাঁতার কাটতে পারে
আবার অনেকে ডুবে যায়। পানিতে লোহা ডুবে যায় অথচ লোহার তৈরি জাহাজ ভাসে। জাহাজ ভর্তি
মালামাল নিয়েও জাহাজ সাগরের পানিতে ভেসে চলে। কেন এমন হয়? কোন্ বস্তু ভাসে কোন্টি ডুবে
যায়। তাছাড়া আমরা যখন বালতি দিয়ে পানি উঠাই তখন যে ওজন অনুভব করি বালতিটি যখন পানিতে
ডুবানো থাকে তখন তা থেকে হালকা মনে হয়। আমরা জানি পদার্থের ওজন আছে এবং চাপ প্রয়োগ
করে। তরল পদার্থের ওজন আছে এবং তরল পদার্থও চাপ প্রয়োগ করে। পানিতে জাহাজ ভাসে, নৌকা
চলে পানির চাপের জন্যইতো। বিশাল অট্টালিকার ছাদে পানির ট্যাংক বসানো হয়, এখানে পানি তুলতে
হয় আবার প্রয়োজনে প্রত্যেক তলায় পানি নামিয়ে আনতে হয়। আমাদের রোগ ব্যাধির চিকিৎসার জন্য
মাংসপেশী বা রক্তনালীর মধ্যে তরল ওষুধ ইনজেকশন দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। এসব ক্ষেত্রে তরল
পদার্থের চাপকেই কাজে লাগানো হয়। তাই তরল পদার্থের চাপ আমাদের বাসতব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ। এ
অধ্যায়ে তরল পদার্থের চাপ, এ সম্বন্ধীয় সূত্র এবং ব্যবহারিক কিছু প্রয়োগ উল্লেখ করা হয়েছে। যা
আমাদের প্রত্যেকের জানা প্রয়োজন।
উদ্দেশ্য
তরল পদার্থের চাপ ও এর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা।
প্যাসকেলের সূত্রের প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা।
দৈনন্দিন জীবনে তরল পদার্থের চাপের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা লাভ করা।
পাঠসংখ্যা-৪টি
এ অধ্যায়ের পাঠ দিতে ম্যানোমিটার এবং ছিদ্র করা কয়েকটি রাবারের ছোট বল লাগবে। আপনার
স্কুলের ল্যাবরেটরিতে ম্যানোমিটার না থাকলে পরিশিষ্ট ২.১-এর বর্ণনা মোতাবেক বিকল্প যন্ত্র তৈরি
করে নিন। এটি কেমন কাজ করে তা আগে যাচাই করে নেবেন। রাবার বল ছিদ্র করা বেশ কঠিন
কাজ শিক্ষার্থীদের এ কাজ দেয়ার আগে নিজে কৌশলটি অভ্যাস করে নিন।
শিক্ষণ-শিখন সামগ্রী
প্রতি দলের জন্য একটি করে প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত পানির বোতল, লোহার তারকাঁটা, হাতুড়ী,
গামলা বা পানি ধরার পাত্র, মোম বাতি, দিয়াশলাই এবং প্রয়োজনমতো পানি।
একটি ম্যানোমিটার (পরিশিষ্ট ২.১-এর প্রস'ত প্রণালী অনুসরণ করে বিকল্প যন্ত্র তৈরি করে নিন)
পরিমাণ মত পানিসহ একটি বালতি বা বড় কাচের পাত্র (একটি ৫/৮ লিটার প্লাস্টিকের পরিত্যক্ত
তেলের ক্যানের উপরের অংশ কেটে ফেলে পাত্র তৈরি করতে পারেন)।
শিক্ষণ-শিখন পদ্ধতি ও কৌশল
প্রশ্নোত্তর, প্রদর্শন, পরীক্ষণ, পর্যবেক্ষণ, দলীয় কাজ ।
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে কুশল বিনিময় এবং বাড়ির কাজ আদায় করুন। একজন শিক্ষার্থীকে বইখাতাসহ
একটি ব্যাগ কাধে নিয়ে হাঁটতে বলুন, আবার খালি ব্যাগ নিয়ে হাঁটতে বলুন এবার জিজ্ঞেস করুন কাধে কি
রকম লাগছে এবং এই দুটি কাজের মধ্যে অনুভূতির পার্থক্য কি? বই, খাতা থাকলে ওজন বা চাপ অনুভূত
হচ্ছে কিনা? বই, খাতা, ব্যাগ এগুলো পদার্থ। পদার্থের ওজন আছে এবং চাপ দেয়। তরল পদার্থের কি
ওজন আছে? । তরল পদার্থের কি কোন চাপ আছে? তাদের উত্তর শুনুন এবং উত্তরের সূত্র ধরে আজকের
পাঠ ঘোষণা করুন। বোর্ডে পাঠ শিরোনাম লিখুন (তরল পদার্থের চাপ ও তার বৈশিষ্ট্য)।
পর্ব-খঃ তরল পদার্থের চাপ ও তার পরীক্ষা ..................................................... ১৫ মি.
বলুন, যেহেতু তরল পদার্থের ওজন আছে তাই তরল পদার্থ চাপ প্রয়োগ করে। তরল পদার্থের চাপের
সংজ্ঞা বুঝিয়ে বলুন এবং একক ক্ষেত্রফল বলতে ১ বর্গ সে.মি. বা ১ বর্গ মিটার ক্ষেত্রফলকে বোঝায় তা
ব্যাখ্যা করুন।
এরপর শিক্ষার্থীদের কাছে তরল পদার্থের চাপের বৈশিষ্ট্য জানতে চান, তরল পদার্থ কোন্ কোন্ দিকে চাপ
দেয়। সঠিক উত্তর পেলে গ্রহণ করুন অথবা আপনি বলে দিন। শিক্ষার্থীদের প্রশড়ব করুন বিভিনড়ব গভীরতায় তরলের বা পানির চাপ কি অভিনড়ব? কীভাবে বুঝবে? তাদের উত্তর শুনুন এবং সঠিক উত্তর পেলে গ্রহণ করে বলুন, এ প্রশেড়বর উত্তর আমরা খুব সহজ একটি পরীক্ষার মাধ্যমে পেতে পারি।
শিক্ষার্থীদের ৫-৬ জন নিয়ে দল গঠন করুন। প্রত্যেক দলকে একটি করে প্লাস্টিকের বোতল, তারকাঁটা,
হাতুড়ী, মোমবাতি ও দিয়াশলাই সরবরাহ করুন। এবং একটি একটি করে নিমড়বরূপ নির্দেশ দিন।
একটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের পানির বোতল নিয়ে লোহার তারকাঁটা দিয়ে একই রেখা বরাবর
খাড়াভাবে বোতলের গায়ে বিভিনড়ব উচ্চতায় তিনটি ছিদ্র করতে বলুন।
ছিদ্রগুলো মোম দিয়ে বন্ধ করে বোতলটি পানি দিয়ে ভর্তি কর। বোতলটি টেবিলের ওপর রাখ
যেন ছিদ্র দিয়ে পানি পড়লে তা নিচে রাখা গামলায় পড়ে। পানি যাতে মেঝে ভিজিয়ে না দেয় এজন্য
পানির ধারা বরাবর গামলা রাখ। এরপর বোতলের মুখটি খুলে দাও এবং মোমগুলো তুলে বোতলের
গায়ের ছিদ্রগুলো খুলে দাও।
এখন সবগুলো ছিদ্র একসাথে খুলে দিয়ে লক্ষ কর কী ঘটছে?
এবার শিক্ষার্থীদের নীচের প্রশড়বগুলোর উত্তর দিতে বলুন।
সবগুলো ছিদ্র দিয়ে কি একই বেগে পানি বের হচ্ছে ?
কোন ছিদ্র দিয়ে পানি কম বেগে বের হয়ে আসছে?
কোন্ ছিদ্রের পানি বোতলের সবচেয়ে কাছে পড়ছে?
উপরের ঘটনাগুলো কেন ঘটছে বলে তুমি মনে কর?
এই পরীক্ষাটি থেকে প্রাপ্ত তথ্য আমরা জীবনে কোন্ কোন্
ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারি।
শিক্ষার্থীরা কাজ করার সময় প্রতি দলের কাছ যেয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা দিন। যাতে করে
প্রত্যেকেই কাজ করার অনুপ্রেরণা পায় এবং সঠিকভাবে পরীক্ষাটি করতে পারে। সবশেষে পরীক্ষাটি থেকে যে যে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় সেগুলো শিক্ষার্থীদের ভালভাবে বুঝিয়ে দিন এবং বোর্ডে লিখে দিন।
[গভীরতার সাথে তরল পদার্থের চাপের সম্পর্ক বিদ্যমান। গভীরতা যত বেশী হবে চাপ তত বাড়বে
গভীরতা যত কমবে চাপ তত কমবে।]
পর্ব-গঃ তরল পদার্থের ঊর্ধ্ব, নিম্ন ও সর্বোমুখী চাপের পরীক্ষণ................................. ১০মি.
পরীক্ষণ প্রদর্শন
পরীক্ষণ প্রদর্শন
আপনি শিক্ষার্থীদের ম্যানোমিটারটি প্রদর্শন করুন। এর বিভিন্ন অঙ্গ সমূহের পরিচয় দিন। এটি কিভাবে
কাজ করে শিক্ষার্থীদের তা প্রদর্শন করুন। ম্যানোমিটারে সঙ্গে যুক্ত ফানেলের পর্দায় আঙ্গুলের চাপ দিয়ে
প্রদর্শন করুন U নলের তরলের তল কিভাবে ওঠা-নামা করে। এবং চাপের সঙ্গে দুই বাহুর তরলের
উচ্চতার পার্থক্যের সম্পর্ক কী হয়। (চাপ বাড়লে পার্থক্য বাড়ে)।
বড় কাচের পাত্রটি (অথবা বালতিটি) পানি পূর্ণ করুন, এর মধ্যে ম্যানোমিটারের সঙ্গে যুক্ত ফানেলটি ডুবিয়ে দিন। ফানেলটির মুখ সোজা নিচের দিকে রেখে আস্তে আস্তে গভীরে ডুবাতে থাকুন এবং শিক্ষার্থীদের ম্যানোমিটারের দুই বাহুর পানির পার্থক্য লক্ষ্য করতে বলুন।
হাতে তৈরী ম্যানোমিটারের চিত্র
চিত্র 1: ম্যানোমিটার
হাতে তৈরী ম্যানোমিটার
– U নলের পানির উচ্চতা কি একই সমান থাকছে?
– পার্থক্য কমছে না বাড়ছে?
– দুই বাহুর মধ্যে পানির উচ্চতার পার্থক্য কত?
– দুই বাহুর মধ্যে পানির উচ্চতার পার্থক্যের কারণ কি?
ম্যানোমিটারের ভিডিও ক্লিপ
ফানেলের মুখ ঊর্ধমুখী করে পানির তলা থেকে ফানেলটি আস্তে আস্তে উপরে তুলুন। শিক্ষার্থীদের ম্যানোমিটারের দুই বাহুর পানির পার্থক্য লক্ষ করতে বলুন। পার্থক্য কমছে না বাড়ছে? এথেকে কি সিদ্ধানত নেয়া যাবে?
এবার ফানেলের মুখটি ‘পাত্রের দেয়ালের দিকে মুখ করে এবং পানির মধ্যে একই গভীরতায় রেখে ফানেলটি ঘুরাতে থাকুন। ম্যানোমিটারের পাঠ লক্ষ্য করুন। কোন পরিবর্তন হচ্ছে কি?
শিক্ষার্থীদের প্রশড়ব করুন,
– এখন নলের পানির উচ্চতার কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা?
– এই ঘটনাটি কেন ঘটছে?
ফানেলটিকে পানির আরো গভীরে নিয়ে ট নলের দুই বাহুর মধ্যে পানির উচ্চতা লক্ষ্য করতে হবে। এখন ঐ গভীরতার রেখে ফানেলটির মুখ ডানে, বামে উপরে বা অন্য কোন দিকে ঘোরাতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করুন,
– এ ক্ষেত্রে ম্যানোমিটারের দুই বাহুর তরলের উচ্চতার কোন পার্থক্য আছে কি?
– এই ঘটনাটি কেন ঘটছে?
শিক্ষার্থীদের উত্তর শুনুন। সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করুন। (একই উচ্চতায় পানির সর্বমুখী চাপ সমান থাকে)।
এই পরীক্ষা থেকে আমরা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পেলাম। শিক্ষার্থীদের স্মরণ করতে এবং খাতায় লিখতে বলুন।
এবার খাতা দেখে পড়তে বলুন। প্রয়োজন হলে সংশোধন করে দিন।
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে কুশল বিনিময় এবং বাড়ির কাজ আদায় করে একজন শিক্ষার্থীর হাতে পানি ভর্তি
একটি বল দিয়ে চাপ দিতে বলুন। পানি চতুর্দিকে বের হতে থাকবে। প্রশ্ন করুন সবদিকে পানি সমানভাবে
বের হচ্ছে কি? এভাবে পানি বের হয় কেন? চাপ বেশি হলে পানি বেশি বের হয় কি? এভাবে প্রশ্নোত্তরের
পর্যায়ে বলুন তরল পদার্থের উপর চাপ সম্পর্কে বিজ্ঞানী প্যাসকেল একটি সূত্র আবিষ্কার করেছেন। এসো
আজ আমরা প্যাসকেলের সূত্রটি এবং এর ব্যাখ্যা নিয়ে আলোচনা করি। এভাবে আজকের পাঠ ঘোষণা
করুন।
পর্ব-খঃ প্যাসকেলের সুত্রের সত্যতা প্রমাণ ....................................................... ২৫ মি.
প্রথমে প্যাসকেলের সূত্রটি বর্ণনা করুন এবং বোর্ডে লিখুন। এবার বোর্ডে একটি ছবি এঁকে তা ব্যাখ্যা
করুন। শিক্ষার্থীদের বলুন প্যাসকেল উল্লেখ করেছেন তরল সবদিকে সমানভাবে চাপ দেয়। একথা সত্য
কি? এস আমরা আজ পরীক্ষা করে দেখি।
পরীক্ষাটি করার পূর্বে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কয়েকটি দল গঠন করুন। হাতের মুঠোয় নেয়া যায় এমন ছোট
বল দিন। তবে এর মধ্যে একটু ছোট ও বড় সাইজ দেখে নিলে ভাল হয়। তাহলে শিক্ষার্থীরা পানির চাপ
সবদিকে সমান এবং সাইজের উপর নির্ভর করে কি না বুঝতে পারবে।
যতগুলো দল আছে অর্ধেক দলকে এক সাইজ অন্যদলগুলো কে অন্য সাইজের বল সরবরাহ করুন।
পরীক্ষণ
প্রত্যকে দলরে সদস্যদের মোম দিয়ে বলের গায়ের ছিদ্রগুলো বন্ধ করতে বলুন।
বড় ছিদ্রটি দিয়ে বলের ভিতর আস্তে আস্তে পানি ঢেলে বল্টি পূর্ণ করতে বলুন।
ছোট ছোট ছিদ্রের গায়ের মোমগুলো তুলে ফেলে দিতে বলুন।
এবার বড় ছিদ্রটি বুড়ো আঙ্গুল দয়ি চেপে ধরে বলটি হাতের মুঠোয় নিয়ে বলের গায়ে চাপ দিতে বলুন।
কী ঘটছ শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করুন।
বলের সব ছিদ্র দিয়ে কি সমবেগে পানি বের হচ্ছে?
যদি সমবেগে পানি বের হয় তবে তা কেন ঘটছে বল?
দুই সাইজের বল দিয়ে কি একই বেগে পানি বের হচ্ছে?
শিক্ষকের (আপনার) সহায়তায় এভাবে শিক্ষার্থীরা কাজটি শেষ করবে। কাজ করার সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা দিন যাতে করে সব দল পরীক্ষাটি ভালভাবে বুঝতে পারে ও করতে পারে।
৬। এরপর শিক্ষার্থীদের বলুন ওপরের কাজটি করে দেখা গেল সবগুলো ছিদ্র দিয়ে সমান বেগে পানি
বের হয়ে আসছে। অর্থাৎ প্রযুক্ত চাপ তরলের ভিতরে সমানভাবে সবদিকে সঞ্চালিত হচ্ছে।
৭। এভাবে প্যাসকেলের সূত্রটি বোর্ডে লিখে দিন। কোন আবদ্ধ পাত্রে সি'র তরলের কোন অংশে চাপ
প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছুমাত্র না কমে ঐ তরলের সবদিকে সমভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল সংলগড়ব
পাত্রের দেয়ালের উপর লম্বভাবে কাজ করে।
৬. প্যাসকেরের সূত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগ আছে কী? কোথায়?
বাড়ির কাজ প্রদান ................................................................................ ০২ মি.
প্যাসকেলের সূত্রটি প্রমাণের পরীক্ষাটি চিত্রসহ বর্ণনা কর।
মূল শিখনীয় বিষয়ঃ
ফরাসী বিজ্ঞানী প্যাসকেল তরলের চাপ নিয়ে বেশ কিছু পরীক্ষা করেন। এই পরীক্ষার জন্য তিনি বিশেষ
ধরণের একটি পিচকারি তৈরি করেন। এই পিচকারিতে পানি দিয়ে পিস্টনের উপর চাপ দিলে চাপ পানির
ভিতরে সমানভাবে সবদিকে সঞ্চালিত হয়। তিনি এ সিদ্ধানত একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন। তার
নাম অনুসারে এ সূত্রের নাম দেওয়া হয় প্যাসকেলের সূত্র।
প্যাসকেলের সূত্রঃ কোন আবদ্ধ পাত্রে সি'র তরলের কোন অংশে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ বিন্দুমাত্র
না কমে ঐ তরলের সর্বদিকে সমভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল সংলগড়ব পাত্রের দেয়ালের উপর লম্বভাবে
কাজ করে।
এই সূত্রটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন জায়গায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ফোয়ারা তৈরি করা হয়েছে যেমন
ঢাকায় কদমফুল ফোয়ারা, সার্ক ফোয়ারা । এছাড়াও বাংলাদেশে আরও অনেক জায়গায় এ ধরনের কৃত্রিম
ঝর্ণা ও ফোয়ারা রয়েছে।
পাঠঃ৩
তরলের অভ্যন্তরে ঊর্ধ্বচাপের প্রভাব পানিতে বস্তুর ভাসা ও ডোবার কারণ ..... ৪০মি.
শিখনফল
কোন ধাতু পানিতে ভাসা বা ডোবার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারবে।
দৈনন্দিন জীবনে তরল পদার্থের চাপের কয়েকটি উদাহরণ হিসেবে সাঁতার কাটা ও নৌকা চলা
উল্লেখ করতে পারবে।
শিক্ষণ-শিখন সামগ্রী
প্রতি দলের জন্য একটি সিপ্রং নিক্তি, একটি নুড়িপাথর বা ইটের টুকরা, একটি বড় পাত্র বা
প্লেট, একটি বিকার (মাঝারি আকারের), পানি ও সূতা (পরিমাণ মত) ।
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে কুশল বিনিময় এবং বাড়ির কাজ আদায় করুন। জিজ্ঞেস করুন, কে কে নদীতে বা
পুকুরে গোসল কর? পুকুরে, নদীতে বা সুইমিং পুলে সাঁতার কেটেছে? সবাইকে চোখ বন্ধ করে চিনতা
করতে বলুন এবং জানতে চান, পানিতে নামলে নিজেকে হালকা অথবা ভারী মনে হয় কি? এর কারণ কী?
পানিতে নামলে পানি আমাদের দেহের উপর চাপ দেয় কী? কোন্ দিকে চাপ দেয়?
শিক্ষার্থীদের উত্তর শুনুন এবং ভারী বা হালকা এর কারণ জানার জন্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে
আজকের পাঠ ঘোষণা করুন এবং বোর্ডে পাঠ শিরোনাম লিখুন।
পানির উর্ধ্বচাপের কারণে পানিতে ডোবানো অবস্থায় বস্তুর ওজন কমে বলে মনে হয়। পানিতে ডোবালে
বস'র ওজন কতটুকু কমে তা জানা দরকার। আমরা একটি পরীক্ষার মাধ্যমে তা জানার চেষ্টা করব।
শিক্ষকের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা দলে ভাগ হয়ে পরীক্ষাটি করবে।
পরীক্ষণ
প্রথমে এক খন্ড নুড়ি পাথর বা ইটের টুকরোকে সিপ্রং নিক্তির সাথে ঝুলিয়ে ওজন নাও। এবং কত হল লিখে রাখ।
একটি বড় বাটি নিয়ে নিক্তিতে বাটির ওজন নিয়ে লিখে রাখ। এবার বাটির উপর বিকারটি বসাও এবং বিকারটি পানি দিয়ে কানায় কানায় পূর্ণ কর।
এবারে সিপ্রং নিক্তির সাথে ঝোলান ইটের টুকরো বা নুড়ি পাথরটিকে বিকারের পানির মধ্যে ডোবাও।এর ফলে কিছু পরিমাণ পানি উপরে বড় বাটির মধ্যে পড়বে। লক্ষ রাখতে হবে বাটি থেকে পানি যেন নিচে পড়ে না যায়।
সিপ্রং নিক্তির সাহায্যে পানিতে ডুবনত অবস'ায় সিপ্রং নিক্তির পাঠ নাও। ডুবানো ইটের টুকরার
ওজন কত হল তা লিখে রাখ।
প্রথম ও দ্বিতীয় ওজনের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি?
উত্তর হ্যাঁ হলে পার্থক্য কত তা লিখ। ওজন কমেছে কি?
এর কারণ কী বলে মনে কর?
প্রথমে নিক্তিতে ঝুলান ইটের টুকরো বিকার থেকে তুলে নাও। এর পর খুব সাবধানে বিকারটি বাটি থেকে তুলে নাও যেন বাটির পানি একটুও কমে না যায়।
উপচে পড়া পানিসহ বাটির ওজন নাও। এই ওজন থেকে শুধু বাটির ওজন বাদ দিয়ে বিকার থেকে বাটির মধ্যে উপচে পড়া পানি টুকুর অর্থাৎ অপসারিত পানির ওজন নির্ণয় কর।
উপচে পড়া পানির ওজন এবং পানিতে ডোবানোর ফলে বস্তুটির যতটুকু ওজন কমেছে তা কি সমান?
এতক্ষণ যে পরীক্ষণটি করা হল এ থেকে কী সিদ্ধান্তে ¬¬উপনীত হওয়া যায়?
১. নদীর পানির চেয়ে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ কেন?
২. পানিতে ডুবনত অবস'ায় একটি পানি ভর্তি বালতি সহজেই তোলা যায়, কিন' ঐ বালতি পানির
উপর টেনে তুলতে কষ্ট হয় কেন?
৩. একটি জাহাজ সমুদ্র থেকে নদীর পানিতে ঢুকলে বেশি ডুবে যায় কেন?
৪. আর্কিমিডিসের এর সূত্রটি বল?
৫. আর্কিমিডিস কে ছিলেন?
৬. তিনি কত বছর আগে সূত্রটি দেন?
৭. একটি বস'র বাতাসে ওজন ৫০ কেজি, পানিতে সম্পূর্ণ ডোবালে ওজন হয় ৪০ কেজি। বস'টির
হারানো ওজন কত?
৯. বস'টি দ্বারা অপসারিত পানির ওজন কত?
বাড়ির কাজ প্রদান ................................................................................ ০২ মি
এক খন্ড লোহা পানিতে ডুবে যায় কিন' লোহার তৈরি জাহাজ পানিতে ভাসে কেন? যুক্তি দাও।
মূল শিখনীয় বিষয় :
কোন কঠিন বস্তুকে কোন স্থির তরলে নিমজ্জিত করলে কঠিন বস্তুর ওপর তরল পদার্থ একটি উর্ধ্বমুখী বল
প্রয়োগ করে। ফলে বস'টি কিছু ওজন হারায় বলে মনে হয়। বস'র এই আপাত হারানো ওজন বস'টি দ্বারা
অপসারিত তরল পদার্থের ওজনের সমান। এটি আর্কিমিডিসের সূত্র নামে পরিচিত। বিখ্যাত গ্রীক দার্শনিক
আর্কিমিডিস প্রায় ২২০০ বছর আগে এই সূত্রটি আবিষ্কার করেন।
আর্কিমিডিসের নীতির প্রমাণ
কোন বস্তুকে কোন তরলে আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে নিমজ্জিত করলে বস'টির উপর দুইটি বল কাজ করে-
একটি বস্তুটির ওজন, যা খাড়া নিচের দিকে কাজ করে। অপরটি তরলের ঊর্ধ্বমুখী বল যা খাড়া উপরের
দিকে কাজ করে। বস'র ওজন যদি তরলের ঊর্ধ্বমুখী বলের চেয়ে কম হয় তবে ঊর্ধ্বমুখী বল বস'কে
উপরের দিকে ঠেলে রাখে। ফলে বস' আংশিক নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকে। আর বস'র ওজন যদি
তরলের ঊর্ধ্বমুখী বলের চেয়ে বেশি হয়, তবে নিচের দিকে বল বেশি হওয়ায় বস্তু ডুবে যায়। বস্তুর ওজন
যদি তরলের ঊর্ধ্বমুখী বলের সমান হয় তখন বস্তু তরলের উপরে ভাসবেও না তরলের মধ্যে সম্পূর্ণ
ডুবেও যাবে না। সম্পূর্ণ নিমজ্জিত অবস্থায় তরলের যে কোন স্থানে ভাসতে থাকবে।
পাঠ-৪: হাইড্রোলিক প্রেসের গঠন ও কার্যনীতি ....................................... ৪০ মি.
শিখনফল
দৈনন্দিন জীবনে তরল পদার্থের চাপের কয়েকটি উদাহরণ হিসাবে হাইড্রোলিক প্রেস উল্লেখ করতে পারবে।
হাইড্রোলিক প্রেসের গঠন ও কার্যনীতি বর্ণনা করতে ও ব্যাখ্যা করতে পারবে।
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে কুশল বিনিময় এবং বাড়ির কাজ আদায় করে একজন শিক্ষার্থীর হাতে পানি ভর্তি
একটি বল দিয়ে চাপ দিতে বলুন। পানি চতুর্দিকে বের হতে থাকবে। প্রশ্ন করুন সবদিকে পানি সমানভাবে
বের হচ্ছে কি? এভাবে পানি বের হয় কেন? চাপ বেশি হলে পানি বেশি বের হয় কি? এভাবে প্রশ্নোত্তরের
পর্যায়ে বলুন তরল পদার্থের উপর চাপ সম্পর্কে বিজ্ঞানী প্যাসকেল একটি সূত্র আবিষ্কার করেছেন। এসো
আজ আমরা প্যাসকেলের সূত্রটি এবং এর ব্যাখ্যা নিয়ে আলোচনা করি। এভাবে আজকের পাঠ ঘোষণা
করুন।
পর্ব-খঃ প্যাসকেলের সুত্রের সত্যতা প্রমাণ ....................................................... ২৫ মি.
প্রথমে প্যাসকেলের সূত্রটি বর্ণনা করুন এবং বোর্ডে লিখুন। এবার বোর্ডে একটি ছবি এঁকে তা ব্যাখ্যা
করুন। শিক্ষার্থীদের বলুন প্যাসকেল উল্লেখ করেছেন তরল সবদিকে সমানভাবে চাপ দেয়। একথা সত্য
কি? এস আমরা আজ পরীক্ষা করে দেখি।
পরীক্ষাটি করার পূর্বে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কয়েকটি দল গঠন করুন। হাতের মুঠোয় নেয়া যায় এমন ছোট
বল দিন। তবে এর মধ্যে একটু ছোট ও বড় সাইজ দেখে নিলে ভাল হয়। তাহলে শিক্ষার্থীরা পানির চাপ
সবদিকে সমান এবং সাইজের উপর নির্ভর করে কি না বুঝতে পারবে।
যতগুলো দল আছে অর্ধেক দলকে এক সাইজ অন্যদলগুলো কে অন্য সাইজের বল সরবরাহ করুন।
পরীক্ষণ
১।প্রত্যেক দলের সদস্যদের মোম দিয়ে বলের গায়ে ছিদ্রগুলো বন্ধ করতে বলুন।
২।বড় ছিদ্রটি দিয়ে বলের মধ্যে আসেত আসেত পানি ঢেলে বলটি পূর্ণ করতে বলুন।
৩।ছোট ছোট ছিদ্রের গায়ের মোমগুলো তুলে ফেলে দিতে বলুন।
৪।এবারে বড় ছিদ্রটি বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরে বলটি হাতের মুঠোয় নিয়ে বলের গায়ে চাপ দিতে
বলুন।
৫।কী ঘটছে শিক্ষার্থীদের প্রশড়ব করুন।
বলের সব ছিদ্র দিয়ে কি সমবেগে পানি বের হচ্ছে?
যদি সমবেগে পানি বের হয় তবে তা কেন ঘটছে বল?
দুই সাইজের বল দিয়ে কি একই বেগে পানি বের হচ্ছে?
শিক্ষকের (আপনার) সহায়তায় এভাবে শিক্ষার্থীরা কাজটি শেষ করবে। কাজ করার সময় শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহায়তা দিন যাতে করে সব দল পরীক্ষাটি ভালভাবে বুঝতে পারে ও করতে পারে।
এরপর শিক্ষার্থীদের বলুন ওপরের কাজটি করে দেখা গেল সবগুলো ছিদ্র দিয়ে সমান বেগে পানি
বের হয়ে আসছে। অর্থাৎ প্রযুক্ত চাপ তরলের ভিতরে সমানভাবে সবদিকে সঞ্চালিত হচ্ছে।
এভাবে প্যাসকেলের সূত্রটি বোর্ডে লিখে দিন। কোন আবদ্ধ পাত্রে সি'র তরলের কোন অংশে চাপ
প্রয়োগ করলে সেই চাপ কিছুমাত্র না কমে ঐ তরলের সবদিকে সমভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল সংলগড়ব
পাত্রের দেয়ালের উপর লম্বভাবে কাজ করে।
প্যাসকেরের সূত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগ আছে কী? কোথায়?
বাড়ির কাজ প্রদান ................................................................................ ০২ মি.
প্যাসকেলের সূত্রটি প্রমাণের পরীক্ষাটি চিত্রসহ বর্ণনা কর।
মূল শিখনীয় বিষয়ঃ
ফরাসী বিজ্ঞানী প্যাসকেল তরলের চাপ নিয়ে বেশ কিছু পরীক্ষা করেন। এই পরীক্ষার জন্য তিনি বিশেষ
ধরণের একটি পিচকারি তৈরি করেন। এই পিচকারিতে পানি দিয়ে পিস্টনের উপর চাপ দিলে চাপ পানির
ভিতরে সমানভাবে সবদিকে সঞ্চালিত হয়। তিনি এ সিদ্ধানত একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন। তার
নাম অনুসারে এ সূত্রের নাম দেওয়া হয় প্যাসকেলের সূত্র।
প্যাসকেলের সূত্রঃ কোন আবদ্ধ পাত্রে সি'র তরলের কোন অংশে চাপ প্রয়োগ করলে সেই চাপ বিন্দুমাত্র
না কমে ঐ তরলের সর্বদিকে সমভাবে সঞ্চালিত হয় এবং তরল সংলগড়ব পাত্রের দেয়ালের উপর লম্বভাবে
কাজ করে।
এই সূত্রটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন জায়গায় সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ফোয়ারা তৈরি করা হয়েছে যেমন
ঢাকায় কদমফুল ফোয়ারা, সার্ক ফোয়ারা । এছাড়াও বাংলাদেশে আরও অনেক জায়গায় এ ধরনের কৃত্রিম
ঝর্ণা ও ফোয়ারা রয়েছে।
পাঠঃ তরলের অভ্যন্তরে ঊর্ধ্বচাপের প্রভাব পানিতে বস্তুর ভাসা ও ডোবার কারণ ..... ৪০মি.
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে কুশল বিনিময় এবং বাড়ির কাজ আদায় করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করুন,
আবদ্ধ স্থি'র পানিতে চাপ প্রয়োগ করলে কী ঘটে? পানি কোন্ দিকে যায়? চাপ কোন্ দিকে সঞ্চালিত হয়?
এ বিষয়ে কোন সূত্র আছে কী? সূত্রটি কে আবিষ্কার করেছেন? এই নীতি কাজে লাগিয়ে কী করা যায়?
(বল বাড়ানো যায়) এর কোন ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখেছ কি? এসো আজ আমরা এই নীতির ব্যবহারিক
প্রয়োগের একটি কৌশল শিখি। এভাবে পাঠের সূত্রপাত করে আজকের পাঠ ঘোষণা করুন এবং পাঠ
শিরোনাম বোর্ডে লিখে দিন।
পর্ব-খ: হাইড্রোলিক প্রেসের গঠন .............................................................. ২৫ মি.
শিক্ষার্থীদের বলুন হাইড্রোলিক প্রেস হচ্ছে প্যাসকেলের সূত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগের দৃষ্টান্ত। একটি পাত্রের
ছোট ক্ষেত্রের ওপর কিছু পরিমাণ বল বা চাপ প্রয়োগ করলে ঐ পাত্রের বড় ক্ষেত্রফলের ওপর বেশী চাপ
বা বল সৃষ্টি করে। অর্থাৎ আবদ্ধ তরলের কোন এক স্থানে অল্প বল প্রয়োগ করে অন্য স্থানে বেশি বল
পাওয়া যায়। এই নীতিকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানী ব্রামা এক ধরণের চাপ বৃদ্ধির যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
তার নাম অনুসারে একে ব্রামার প্রেস বা হাইড্রোলিক প্রেস বলে। কাপড়, তুলা, পাটের গাট প্রভৃতি চাপ
দিয়ে ছোট করা, বীজ থেকে তেল নিষ্কাশন, চামড়া শক্ত করা প্রভৃতি কাজে হাইড্রোলিক প্রেস ব্যবহার
করা হয়।
‘বল বৃদ্ধির নীতির চিত্র’ পোস্টারটি দেয়ালে ঝুলিয়ে দিন। এবং কীভাবে বল বৃদ্ধি ঘটে তা ব্যাখ্যা করুন।
এবার হাইড্রোলিক প্রেসের চিত্রের পোস্টারটি দেয়ালে ঝুলিয়ে দিন, এর অংশগুলো এক এক করে শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে দিন। অংশগুলোর কাজ বুঝিয়ে দিন।
এবার প্রশ্ন করুন,
ছোট পিস্টনটি কী হচ্ছে? এর উপর কে চাপ দেয়?
বড় পিস্টনটি কী করছে? এর উপর কে চাপ দেয়?
হাতলের সাহায্যে আমরা কী কাজ করি?
বড় পিস্টনটি কাকে চাপ দেয় ?
পোস্টার ব্যবহার করে প্রশেড়বাত্তরের মাধ্যমে হাইড্রোলিক প্রেসের গঠন ও কার্যনীতি (কীভাবেকাজ করে) বুঝিয়ে দিন।
হাইড্রোলিক প্রেসের ছোট পিস্টনের উপর কীভাবে চাপ দেয়া হয়?
হাইড্রোলিক প্রেসের বড় পিস্টনের উপর কীভাবে চাপ দেয়া হয়?
হাইড্রোলিক প্রেসের ১টি ব্যবহার বল। (প্রত্যেক শিক্ষার্থী আলাদা উত্তর দেবে)
একটি হাইড্রোলিক প্রেসের ছোট পিস্টনের প্রস'চ্ছেদ ১২ একক এবং বড় পিস্টনের প্রস'চ্ছেদ
১২০ একক হলে চাপ কত গুণ বাড়বে?
মুল্য যাচাইয়ের জন্য নীচের ভিডিও চিত্রটি ব্যবহার করতে পারেন
বাড়ির কাজ প্রদান ....................................................................................০২ মি.
হাইড্রোলিক প্রেসের চিহ্নিত চিত্র আঁক।
মূল শিখনীয় বিষয় :
হাইড্রোলিক প্রেসঃ
প্যাসকেলের সূত্রকে ও বলবৃদ্ধির নীতিকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞানী ব্রামা হাইড্রোলিক প্রেস তৈরি করেন।
এই যন্ত্র দিয়ে প্রচন্ড চাপে সংকুচিত করে পাট, তুলা, কাপড় ইত্যাদির গাঁট বাঁধা হয়। বীজ থেকে তেল
নিষ্কাশন করা ইত্যাদি নানা রকম কাজে ব্যবহৃত হয়। একে ব্রা্মার প্রেস বা হাইড্রোলিক প্রেস বলে।
পরিশিষ্ট ২.১ উদ্ভাবনীমূলক শিক্ষা উপকরণ তৈরি
ম্যানোমিটার তৈরি
ম্যানোমিটার হচ্ছে চাপ মাপার একটি সরল যন্ত্র। এর প্রধান অংশ একটি U আকৃতির কাঁচ নল।
উপকরণ:
একটি বড় আকারে পানিপূর্ণ পাত্র বা বালতি, একটি বেলুন, একটি ৩/৪ ফুট লম্বা রবারের নল
একটি U আকৃতির কাচ নল (প্লাস্টিক টিউব/স্যালাইনের টিউব ব্যবহার করতে পারেন)। একটি কাচ বা প্লাস্টিকের ফানেল, একটি ১২ইঞ্চি লম্বা স্কেল
প্রয়োজন মতো রঙিন পানি, স্ট্যান্ড-ক্ল্যাম্প।
প্রস্তুতি:
প্রথমে একটি কাচের/প্লাস্টিকের ফানেল নিয়ে লম্বা নল কেটে ছোট ১ইঞ্চি পরিমাণ করুন।
বেলুনটি কেটে ফানেলের মুখে রাবারটি শক্ত ও টান টান করে বাধুন।
একটি রাবারের নল দিয়ে তার এক দিক ফানেলের নলের সাথে এবং অপর দিক U নলের
সাথে যুক্ত করুন।
এবারে U নলের খোলা মুখের মধ্যে রঙ্গিন পানি ঢালুন, যেন দুই বাহুর মধ্যেই প্রায় ৬-৭.
পর্যন্ত পানি থাকে।
ক্ল্যাম্প ও স্ট্যান্ডের সাহায্যে Uনলটি এমন ভাবে আটকান যাতে নলের বাহু দু’টি খাড়া থাকে
বা খোলা মুখটি ওপরের দিকে থাকে ।
U নলের যে কোন এক বাহুর সাথে অথবা দুই বাহুর মাঝ খানে স্কেলটি খাড়া করে বাঁধুন।
দুই দিকের তরলের উচ্চতার পার্থক্য U নলের বাহুর সাথে বাঁধা স্কেল থেকে মাপা যাবে।
দুই নলের মধ্যে পানির উচ্চতা কত দেখে নিন। ম্যানোমিটার যন্ত্র তৈরি হয়ে গেলে এখন এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন পরীক্ষা করতে পারবেন।
Uনল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির দোকানে পাওয়া যায়। অথবা একটি কাচ নল বাঁকিয়ে আপনি নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন (কাচ নলের পরিবর্তে প্লাস্টক টিঊব/স্যালাইন টিউব ব্যবহার করতে পারেন)। এজন্য একটি ১৮” দৈর্ঘের নল নিয়ে মাঝ বরাবর এমন ভাবে বাঁকাবেন যেন দুই বাহুর মধ্যে ৩-৫”পরিমাণ ফাঁক থাকে।
'My Favorites' is a special kind of lens which you can use to bookmark modules and
collections. 'My Favorites' can only be seen by you, and collections
saved in 'My Favorites' can remember the last module you were on. You need an account
to use 'My Favorites'.
A lens is a custom
view of the content in the repository. You can think of it as a
fancy kind of list that will let you see content
through the eyes of organizations and people you
trust.
What is in a lens?
Lens makers
point to materials (modules and
collections), creating a guide that includes their own
comments and descriptive tags about the content.
Who can create a lens?
Any individual
member, a community, or a respected
organization.
What are tags?
Tags are descriptors
added by lens makers to help label content, attaching a
vocabulary that is meaningful in the context of the lens.
If you have permission to edit this content, using the "Reuse / Edit" action will allow you to check the content out into your Personal Workspace or
a shared Workgroup and then make your edits.
Derive a copy
If you don't have permission to edit the content, you can still use "Reuse / Edit" to adapt the content
by creating a derived copy of it and then editing and publishing the copy.