পাঠ-১ : যৌগিক পদার্থ প্রস্তুকরণ ও পৃথকীকরণ, যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের পার্থক্য-৪০ মিনিট
শিখনফল
- যৌগিক পদার্থ প্রস্তুত করতে পারবে ।
- যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো পৃথক করা যায় না তা পরীক্ষা করে দেখাতে পারবে ।
- যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের পার্থক্য করতে পারবে ।
শিক্ষণ-শিখন সামগ্রি
- লোহার গুঁড়া
- গন্ধকের গুঁড়া
- স্পিরিট ল্যাম্প
- স্পিরিট ল্যাম্প
- টেস্টটিউব
- চুম্বক দন্ড
- চুম্বক দন্ড
- সাদা কাগজ
- আয়রণ সালফাইড
- কার্যপ্রণালি পত্র
| Equipments | ||||||
|---|---|---|---|---|---|---|
|
How to use PPT
শিক্ষণ-শিখন পদ্ধতি ও কৌশল
- একক কাজ
- জোড়ায় কাজ
- প্রদর্শন দলীয় ব্যবহারিক কাজ
- দলীয় ব্যবহারিক কাজ
শিক্ষণ-শিখন কার্যাবলী
পর্ব-ক : পাঠসূচনা ---------------------------------------------------------- ৫ মিনিট
শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করুন , শ্রেণীনেতার সহযোগিতায় বাড়ির কাজ আদায় করুন এবং নিম্নলিখিত প্রশ্নের মাধ্যমে পাঠ সূচনা করুন:-
- গঠন ও ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে পদার্থকে কয়টি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় ? ভাগগুলো কী কী ? যৌগিক পদার্থ কাকে বলে ? মিশ্র পদার্থ কাকে বলে ? তুমি কীভাবে যৌগিক পদার্থ প্রস'ত করবে ?
- যৌগিক পদার্থ কাকে বলে ? মিশ্র পদার্থ কাকে বলে ? তুমি কীভাবে যৌগিক পদার্থ প্রস'ত করবে ?
- মিশ্র পদার্থ কাকে বলে ? তুমি কীভাবে যৌগিক পদার্থ প্রস'ত করবে ?
- তুমি কীভাবে যৌগিক পদার্থ প্রস'ত করবে ?
অত:পর শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলুন আজ আমরা” যৌগিক পদার্থ প্রস'তকরণ ও পৃথকীকরণ, যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের পার্থক্য ”নিয়ে আলোচনা করব । এই বলে পাঠের শিরোনামটি বোর্ডে লিখে দিন ।
পর্ব- খ : যৌগিক পদার্থ প্রস'তকরণ--------------------------------------------------- ১২ মিনিট
যৌগিক পদার্থ প্রস'তকরণের কার্যপ্রণালি ব্যাখ্যা করুন। এরপর শিক্ষার্থীদের দলে ভাগ করুন। দলের সদস্য সংখ্যা হবে ৪-৬ জন। সবল ও দুর্বল, ছেলে ও মেয়ে, অগ্রগামী ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থী মিশিয়ে দল গঠন করুন। প্রতিটি দলে নিম্নলিখিত কার্যপ্রণালি পত্র সরবরাহ করুন। প্রতিটি দল দলীয় ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে কার্যপ্রণালি পত্র অনুযায়ী যৌগিক পদার্থ প্রস'ত করবে। এ সময় আপনি ঘুরে ঘুরে দলীয় ব্যবহারিক কাজ তদারকি করুন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও উৎসাহ দিন ।
কার্যপ্রণালি পত্র:
- ১ । লোহার গুঁড়া ও গন্ধকের চূর্ণ আনুপাতিক হারে মিশিয়ে একটি টেস্টটিউবে নিয়ে স্পিরিট ল্যাম্পের সাহায্যে ধীরে ধীরে তাপ দাও ।
- ২ । কিছুক্ষণ পর দেখবে গন্ধক গলে লোহার গুঁড়ার সাথে মিশে লালচে বর্ণের এক প্রকার পদার্থ তৈরি হয়েছে।
- ৩ । টেস্টটিউবটি ঠান্ডা হবার পর টেস্টটিউবের ভিতরের পদার্থটি এক টুকরা সাদা কাগজের উপর নিয়ে ভালভাবে পর্যবেক্ষণ কর।
- ৪ । দেখবে লোহার গুঁড়া ও গন্ধকের চূর্ণ কোনোটিই দেখা যা"েছ না। কারণ তাপের ফলে লোহা ও গন্ধক রাসায়নিক বিক্রিয়া করে একটি নতুন পদার্থে পরিণত হয়েছে। এ পদার্থটির নাম আয়রণ সালফাইড। আয়রণ সালফাইডের বর্ণ ও ধর্ম লোহা অথবা গন্ধকের বর্ণ এবং ধর্ম হতে সম্পূর্ণ আলাদা।
পর্ব-গঃ যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো পৃথক করা যায় না এর পরীক্ষা ---------------- ৮ মিনিট
প্রদর্শন পদ্ধতিতে যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো যে পৃথক করা যায় না তা নিচের নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা করে দেখান। এ জন্য এক টুকরা কাগজের উপর কিছু আয়রণ সালফাইড নিন এবং এর উপর দিয়ে চুম্বক ধীরে ধীরে টেনে নিন। শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ করতে বলুন চুম্বকের গায়ে কোন লোহার গুড়া লেগেছে কিনা। তারা দেখবে চুম্বকে কোন লোহার গুড়া লাগেনি বা কাগজের ওপরও কোন গন্ধকচূর্ণ নেই। এবার বলুন লোহা ও গন্ধক গুড়া দিয়ে তৈরি আয়রণ সালফাইড নামক যৌগিক পদার্থ থেকে উপাদানগুলো পৃথক করা যায় না ।
পর্ব-ঘ : যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের মধ্যে পার্থক্য -------------------------------------- ৫ মিনিট
প্রথমে প্রত্যেক শিক্ষাথীকে পাঠ্যপুস্তকের যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের পার্থক্য সম্পর্কিত অংশটি পড়তে দিন এরপর শিক্ষার্থীদের জোড়ায় বিভক্ত করুন। শিক্ষার্থীদের জোড়ায় আলোচনা করে ” যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের মধ্যে পার্থক্য” ছক আকারে লিখতে বলুন। উত্তর লেখা শেষ হলে শিক্ষার্থীদের উত্তর জিজ্ঞেস করুন এবং পার্থক্যসমূহ বোর্ডে লিখে দিন ।
মূল্যযাচাই ----------------------------------------------------------------৮ মিনিট
পাঠের অর্জিত জ্ঞান যাচাই করার জন্য নিম্ন লিখিত প্রশ্নগুলো করুন :-
- লোহা ও গন্ধকের মিশ্রণ থেকে তুমি কীভাবে লোহা ও গন্ধকের উপাদান পৃথক করবে ?
- যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো পৃথক করা যায় না কেন ?
- যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের মধ্যে দুটি পার্থক্য বল।
বাড়ির কাজ ------------------------------------------------------------- ২ মিনিট
বাড়ি থেকে লিখে আনার জন্য নিম্নলিখিত প্রশ্নটি বোর্ডে লিখে দিন। বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ যুক্তি সহকারে উত্তর দাও ।
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ যুক্তি সহকারে উত্তর দাও
লক্ষণীয়:
- দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট অনুপাতে পরস্পর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট যে নতুন পদার্থ তৈরি করে তাকে যৌগিক পদার্থ বলে। লোহার গুঁড়া ও গন্ধকচূর্ণ তাপের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে আয়রণ সালফাইড নামক যৌগ গঠন করে। আয়রণ সালফাইডের বর্ণ ও ধর্ম লোহা অথবা গন্ধকের বর্ণ এবং ধর্ম হতে সম্পূর্ণ আলাদা
- দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ নির্দিষ্ট অনুপাতে পরস্পর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ধর্ম বিশিষ্ট যে নতুন পদার্থ তৈরি করে তাকে যৌগিক পদার্থ বলে। লোহার গুঁড়া ও গন্ধকচূর্ণ তাপের ফলে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে আয়রণ সালফাইড নামক যৌগ গঠন করে। আয়রণ সালফাইডের বর্ণ ও ধর্ম লোহা অথবা গন্ধকের বর্ণ এবং ধর্ম হতে সম্পূর্ণ আলাদা।
- যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো সহজে পৃথক করা যায় না। এক টুকরা কাগজের উপর কিছু আয়রণ সালফাইড নিয়ে এর উপর দিয়ে চুম্বক ধীরে ধীরে টেনে নিলে দেখা যাবে চুম্বকে কোনো লোহার গুড়া লাগেনি এবং কাগজের ওপরও কোনো গন্ধকের চূর্ণ দেখা যাচ্ছে না। এ পরীক্ষা থেকে প্রমাণিত হয় লোহা ও গন্ধক গুড়া দিয়ে তৈরি আয়রণ সালফাইড নামক যৌগিক পদার্থ থেকে উপাদানগুলো পৃথক করা যায় না ।
- দুই বা ততোধিক মৌলিক বা যৌগিক পদার্থ যে কোনো অনুপাতে মেশালে যে পদার্থ উৎপন্ন হয় তার মধ্যে যদি মিশ্রিত পদার্থগুলোর নিজ নিজ গুণের কোনো পরিবর্তন না হয়, মিশ্রিত উপাদানগুলো পাশাপাশি অবস'ান করে এবং উপাদানগুলো সহজে পৃথক করা যায় তবে তাকে মিশ্র পদার্থ বলে। ক্স যৌগিক ও মিশ্র পদার্থের মধ্যে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যৌগিক পদার্থের উপাদানগুলো সব জায়গায় সমান এবং সমসত্ব হয়। যেমন- পানি যেখান থেকে নেয়া হউক না কেন এতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত সমান থাকে। মিশ্র পদার্থের উপাদানগুলো সমসত্ব ও অসমসত্ব দুই-ই হতে পারে। যেমন - চিনির শরবত সমসত্ব মিশ্রণ কিন' লবণ ও বালির মিশ্রণ অসমসত্ব মিশ্রণ ।
Power point presentation







