Skip to content Skip to navigation

Connexions

You are here: Home » Content » working with Dr. Yunus (Bengali)

Navigation

Recently Viewed

This feature requires Javascript to be enabled.
 

working with Dr. Yunus (Bengali)

Module by: Dr Mashiur Rahman. E-mail the author

Summary: talk

working with dr yunus

Introduction সূচনা

এই লেখাগুলি পর্যায়ক্রমে লেখার চেষ্টা করবো। বাংলাদেশে ২০০৮ থেকে ২০১০ সন পর্যন্ত আমি বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের প্রোজেক্টের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। সেই সময়ের প্রোজেক্টগুলির ডকুমেন্ট তৈরী করার সময় হয়ে উঠেনি। যদি আমার অভিজ্ঞতা কারো কোন কাজে লাগে, সেই ভেবেই প্রোজেক্টগুলির কর্মকান্ড ডকুমেন্ট করার উদ্দ্যোগ নিলাম

1st Section ১ম পর্ব

২০০৫ এর দিকে ড. ইউনুস নোবেল পাবার আগ থেকেই তার সাথে কিছু কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছিল। প্রথম সুযোগ হলে ড. ইউনুসের জন্য ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য। ড. ইউনুস নোবেল প্রাইজ পাবার আগ থেকেই আমরা বুঝতে পারছিলাম যে তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যাক্তি হয়ে উঠবেন। তবে ক্যালিফোর্নিয়ার নুরুজ্জামান-ই এই সংক্রান্ত উদ্দ্যোগ নেই। প্রথমেই নুরুজ্জামানের পরিচয় বলি। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সন পর্যন্ত আমি তয়োহাসি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট করছিলাম। জাপানে (বিশেষ করে অনার্স ও ডিপ্লোমা কোর্সগুলিতে) যে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা পড়াশুনা করে তাদের গ্রুপের নাম হল শশী। এই শশীর একজন সদস্য হল নুরুজ্জামান, ডাক নাম পলাশ। আমরা তাকে পলাশ নামেই চিনতাম। যদিও সবসময় টেলিফোনের যোগাযোগ ছিল, কিন্তু তয়োহাসিতে পড়াশুনার সময়ে একবার পলাশের সাথে সরাসরি দেখা করলাম। বিভিন্ন কাজের ব্যাপারে খুবই আগ্রহী এই কিশোরটিকে খুবই ভালোলেগেছিল। তারপরে নদীর স্রোতের মত আমি ও পলাশ বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ালেও পলাশের সাথে সবসময়ই যোগাযোগ ছিল। পলাশের একটি অদ্ভূত ক্ষমতা ছিল, তা হল তার এনালাইসিস করার ক্ষমতা। ড. ইউনুস নোবেল পাবার কিছুদিন আগেই একদিন পলাশ ফোন করল। আমি তখন আমেরিকাতে মার্শাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈজ্ঞনিকের কাজ করছি। পলাশ আমাকে বুঝাল যে আমরা যদি ড. ইউনুসের উপর একটি ওয়েবসাইট করি তবে তা খুবই ভালো একটি উদ্দ্যোগ হয়। সেই সময়ে আমি ওয়েবসাইট তৈরীর সলিউশন জুমলা নিয়ে কাজ করছিলাম। এই ব্যাপারে আরো কয়েকজনের সাথে কথা বলার পরে তারাও আগ্রহ প্রকাশ করে। জাপান থেকে নাজমুল ভাই ও তৌহিদ সবার প্রথমেই আমাদের দলে চলে আসে। এরপরে আরো অনেকেই আমাদের সাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করল। যেহেতু কয়েকজন মিলে কাজ করবো এবং তাতে বিভিন্ন ভাষার তথ্য থাকবে তাই জুমলা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিলাম। জুমলা নিয়ে টেকনিক্যাল কাজগুলি আমি ও তৌহিদ দেখছিলাম। প্রায় প্রতিদিনই আমরা কিভাবে সাইটটি করা যায়, দেখতে কেমন হবে, কি কি ফিচার থাকবে তা নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হোত। এমনও হয়েছে যে প্রতিদিনই আমরা কয়েকঘন্টা করে কনফারেন্স করেছি। আমরা সবাই দূর দূরান্ত থেকে এই প্রোজেক্টের জন্য কাজ করছিলাম। ড. ইউনুস নোবেল প্রাইজ পাবার পরে দেখা গেল আরো অনেকেই আমাদের মত ওয়েবসাইট তৈরী করেছে। কিন্তু আমরা যেহেতু গঠনমূলক ভাবে আগাচ্ছিলাম তাই শেষে আমাদের সাইটটি ড. ইউনুসের পছন্দ হল। সবথেকে যে জিনিসটি আমরা করতে পেরেছিলাম তা হল বিভিন্ন ভাষার তথ্য সংগ্রহ করা। আমরা বাংলা, ইংরেজী ও জাপানী ভাষা পারতাম। তাই এই তিনটি ভাষা দ্রুত সংযুক্ত করে দিতে পারলমা। তৌহিদের এক বন্ধু এই সময় এগিয়ে আসলে তা বার্মিজ (মিয়ানমার) ভাষাতে অনুবাদ করার জন্য। আমরা সাইটি শুরু করতে পারলাম ১৯ নভেম্বর ২০০৬ সনে। অনেকগুলি নাম সেই সময় রেজিস্ট্রেশন করলেও আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম http://muhammadyunus.org/ নামেই সাইটটি পরিচিত হবে। এই সময়ে টকিওতে ড. ইউনুস বেড়াতে আসলেন। আমরা আমাদের সাইটটি উনাকে দেখালাম। উনি পছন্দ করলেন। পরবর্তিতে আমরা বাংলাদেশে তার সাথে এই বিষয়ে মিটিং এর আয়োজন করি, এবং আমরা আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা বলি। মূলত শুধু মাত্র ওয়েবসাইট নয় এটি হবে মাইক্রোক্রেডিট সংক্রান্ত তথ্যমূলক সাইট। আমাদের সাইটটি অফিশিয়াল ভাবে ড. ইউনুস এবং তার অফিস অনুমোদন করল। সেই সময় গ্রামীন অফিসে এই সাইটটি মেইনটেইন করার জন্য কেউ না থাকায় আমরাই সাইটটি আপডেট করতাম। পলাশ পুরো ব্যাপারগুলি সমন্বয় করতো।

dr yunus second

2nd section ২য় পর্ব

২০০৭ এর পুরো বছরটি আমরা ব্যস্ত ছিলাম এই সাইটটিকে দাড় করবার জন্য। আমি বিভিন্ন ব্লগ, ইমেইল গ্রুপ, সংবাদপত্রে এই সাইটের জন্য উঠেপড়ে প্রচার করতে লাগলাম। বাংলাদেশের পত্রিকাতে প্রথম সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৪ নভেম্বর ২০০৬ [PDF file] আমি তৈরী করি এবং তা বিতরণ করি। ঢাকাতে ড. ইউনুসের অফিস থেকে আপডেট কোন সংবাদ আমাদের ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতো, এরপর আমরা সেইগুলি সাইটে আপডেট করতাম। টকিও থেকে নাজমুল ভাই ও তৌহিদ আমাকে সহযোগীতা করতো। এছাড়া পলাশও সহযোগীতা করতো। স্বেচ্ছাসেবক দিয়েই পুরো বছরটি আমরা সাইটটি আপডেট করি। আরো কিছু স্বেচ্ছাসেবক আমাদের সাথে যোগ দেবার ইচ্ছা প্রকাশ করল। আমি সহজে কাজগুলি করার জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরী করলাম। প্রথম দিকে অবাক হয়েছিলাম যে ঢাকাতে গ্রামিন অফিসে কেউ নেই যে এই সাইটটি মেইনটেইন করতে পারবে। পরে ঢাকাতে যেয়ে এর কারণগুলি উপলব্ধি করেছি যা পরবর্তিতে বলব। উল্লেখ্য যে আমাদের সাথে রাশেদ, শাহেদ, রাহাত, আসির ভাই, আজিম ভাইও কাজ করেছিল। এরা সবাই শশির সদস্য তাই আমাদের মধ্যে সুদৃ্ঢ বন্ধন ছিল। ঢাকার অফিসে আমাদের কারো উপস্থিতি থাকা খুব জরুরী হয়ে পড়ছিল। এইগুলি নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে ড. ইউনুসের অফিসে আসির ভাই ও তৌহিদ যোগ দেয়। তখন গ্লোবাল কমিউনিকেশন নামে একটি উইং ছিল এবং তারা সেখানেই যোগ দিয়ে কাজ করে। কারিগরি বিষয়গুলি তৌহিদ ভালো বুঝতে এবং ঢাকার অফিসে সে যোগ দেবার কারণে আমাদের খুবই সুবিধা হলো। তৌহিদ ঢাকা থেকেই সাইটটি আপডেট করতো এবং আমি তাকে সহযোগীতা করতাম। বহির্বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড. ইউনুসের সাথে কাজ করার জন্য প্রস্তাব আসছিল, এবং কিছু কিছু প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রস্তাবনা ছিল। সেই প্রস্তাব গুলি মাঝে মধ্যে আমরাও রিভিও করে ঢাকার অফিসে আমরা মতামত জানাতাম। আমাদের টিমে প্রযুক্তিবীদ বেশ থাকাতে সেইগুলি রিভিও করে তার সমন্ধে মতামত জানাতে সুবিধা হত। বেশ চমতকার কিছু প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয় আমারা কে কোন প্রোজেক্টগুলির সমন্বয় করছি তা ইমেইলের মাধ্যেমে যোগাযোগ করতাম। আমি ও নুরুজ্জামান আমেরিকাতে থাকাতে আমরা দুজনের মধ্যে নিয়মিত টেলিফোনে কথা বার্তা হত। আমেরিকায় ইউনুস সেক্রেটারিয়ে নামে আরেকটি অফিস ছিল সেটির সাথেও আমরা সমন্বয় করে কাজ করতাম। এই বছরে ভিদার জর্গেনসন ও ল্যাকি লিপম্যানের সাথে কাজ যোগাযোগ হয়েছিল এবং কিছু কাজ করেছিলাম। বিদেশে ড. ইউনুসের সাথে কাজগুলি ভালোমত এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য ড. ইউনুস আমাদের সাপোর্ট করতেন। কোন একটি মিটিং তৌহিদকে ড. ইউনুস বলেছিল, “নোবেল প্রাইজ পাবার কারণে আমাদের সাথে অনেকেই কাজ করতে চাইবে। এটি একধরনের সুযোগ এবং এই সুযোগগুলি তোমরা ঠিক মত কাজে লাগাও। বা এক কথায় বললে আমাকে তোমরা কাজে লাগাও।” ড. ইউনুসের সাইটে কাজ করতে করতে আমি বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তি এর সাথে কাজ করতে হয়। সেগুলি হল: জুমলা, একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। একটি সাইট অনেকজন মিলে তৈরী করা এবং খবর, প্রবন্ধ ও ছবি সহজে সংযুক্ত করা। জুমলা এর বিভিন্ন ভাষার অনুবাদ এর সংযোগ। ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলা, জার্মান, জাপানিজ, মিয়েনমার / বার্মিজ, চিন ভাষার সংযোগ করি। এই সংক্রান্ত কারিগরি সমস্যাগুলি সমাধান করি। পাঠকদের সাথে মতামত: আমরা সাইটটিতে পাঠকদের মতামত গ্রহন করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। যা একদিক দিয়ে আমাদের বেশ পীড়া দিয়েছিল। কেননা অনেকেই আজেবাজে মতামত দিচ্ছিল যা আমাদের প্রতিমুহুর্তে রিভিও করতে হোত। VoIP : আমাদের কাজের সমন্বয় করার জন্য একটি ভালো কনফারেন্স সিস্টেম এর খুব প্রয়োজন হয়েছিল। এই সময় তৌহিদ আমাদের সাথে পরিচয় করে দেয় Asterisk নামে একটি VoIP এর প্লাটফর্ম। আমরা সেটি ব্যবহার করা শুরু করি। নাজমুল ভাইয়ের বাসাতে আমাদের সার্ভারটি বসান হয়। আমাদের সবার কাছে ফোন সেট ছিল। এই প্রযুক্তি এর ফলে আমরা বিনামূল্যে সহজে যোগাযোগ করতে পারতাম। পরবর্তিতে এই প্রযুক্তিটি নিয়ে আমি ভালোমত কাজ করি। দেখি এটি বাংলাদেশে পরিচয় করে দেবার জন্য চমত্কার একটি প্রযুক্তি। Asterisk আমি ভালোমত শিখে নিই এবং পরবর্তিতে ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত আমি বাংলাদেশে এটি প্রয়োগ করি। উল্লেখ্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি প্রথম ভিওআইপি এর কোর্স শুরু করি, যা ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে বেশ পপুলার ছিল। সার্ভার: এই সময় লিনাক্স সার্ভার নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়। যা পরবর্তিতে আমাকে বেশ সাহায্য করেছিল। ২০০৭ এর শুরুতে সিদ্ধান্ত নিলাম বাংলাদেশে ফিরবো। ড. ইউনুসের অফিসে সরাসরি কাজ করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু সেখানে কোন পজিশন না থাকায় আমি অন্য জায়গাগুলিতে চেষ্টা করছিলাম। এই সময় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. আউয়াল ভাই শিক্ষাকতা করছিলেন। তার মাধ্যমেই আমি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করি। তারা আমাকে ২০০৮ এর জানুয়ারিতে জয়ন করবার জন্য নিয়োগপত্র দেয়। ২০০৭ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আসি।

3rd Section ৩য় পর্ব

২০০৭ এর পুরো বছরটি আমরা ব্যস্ত ছিলাম এই সাইটটিকে দাড় করবার জন্য। আমি বিভিন্ন ব্লগ, ইমেইল গ্রুপ, সংবাদপত্রে এই সাইটের জন্য উঠেপড়ে প্রচার করতে লাগলাম। বাংলাদেশের পত্রিকাতে প্রথম সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৪ নভেম্বর ২০০৬ [PDF file] আমি তৈরী করি এবং তা বিতরণ করি। ঢাকাতে ড. ইউনুসের অফিস থেকে আপডেট কোন সংবাদ আমাদের ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতো, এরপর আমরা সেইগুলি সাইটে আপডেট করতাম। টকিও থেকে নাজমুল ভাই ও তৌহিদ আমাকে সহযোগীতা করতো। এছাড়া পলাশও সহযোগীতা করতো। স্বেচ্ছাসেবক দিয়েই পুরো বছরটি আমরা সাইটটি আপডেট করি। আরো কিছু স্বেচ্ছাসেবক আমাদের সাথে যোগ দেবার ইচ্ছা প্রকাশ করল। আমি সহজে কাজগুলি করার জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরী করলাম। প্রথম দিকে অবাক হয়েছিলাম যে ঢাকাতে গ্রামিন অফিসে কেউ নেই যে এই সাইটটি মেইনটেইন করতে পারবে। পরে ঢাকাতে যেয়ে এর কারণগুলি উপলব্ধি করেছি যা পরবর্তিতে বলব। উল্লেখ্য যে আমাদের সাথে রাশেদ, শাহেদ, রাহাত, আসির ভাই, আজিম ভাইও কাজ করেছিল। এরা সবাই শশির সদস্য তাই আমাদের মধ্যে সুদৃ্ঢ বন্ধন ছিল। ঢাকার অফিসে আমাদের কারো উপস্থিতি থাকা খুব জরুরী হয়ে পড়ছিল। এইগুলি নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে ড. ইউনুসের অফিসে আসির ভাই ও তৌহিদ যোগ দেয়। তখন গ্লোবাল কমিউনিকেশন নামে একটি উইং ছিল এবং তারা সেখানেই যোগ দিয়ে কাজ করে। কারিগরি বিষয়গুলি তৌহিদ ভালো বুঝতে এবং ঢাকার অফিসে সে যোগ দেবার কারণে আমাদের খুবই সুবিধা হলো। তৌহিদ ঢাকা থেকেই সাইটটি আপডেট করতো এবং আমি তাকে সহযোগীতা করতাম। বহির্বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড. ইউনুসের সাথে কাজ করার জন্য প্রস্তাব আসছিল, এবং কিছু কিছু প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রস্তাবনা ছিল। সেই প্রস্তাব গুলি মাঝে মধ্যে আমরাও রিভিও করে ঢাকার অফিসে আমরা মতামত জানাতাম। আমাদের টিমে প্রযুক্তিবীদ বেশ থাকাতে সেইগুলি রিভিও করে তার সমন্ধে মতামত জানাতে সুবিধা হত। বেশ চমতকার কিছু প্রস্তাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয় আমারা কে কোন প্রোজেক্টগুলির সমন্বয় করছি তা ইমেইলের মাধ্যেমে যোগাযোগ করতাম। আমি ও নুরুজ্জামান আমেরিকাতে থাকাতে আমরা দুজনের মধ্যে নিয়মিত টেলিফোনে কথা বার্তা হত। আমেরিকায় ইউনুস সেক্রেটারিয়ে নামে আরেকটি অফিস ছিল সেটির সাথেও আমরা সমন্বয় করে কাজ করতাম। এই বছরে ভিদার জর্গেনসন ও ল্যাকি লিপম্যানের সাথে কাজ যোগাযোগ হয়েছিল এবং কিছু কাজ করেছিলাম। বিদেশে ড. ইউনুসের সাথে কাজগুলি ভালোমত এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য ড. ইউনুস আমাদের সাপোর্ট করতেন। কোন একটি মিটিং তৌহিদকে ড. ইউনুস বলেছিল, “নোবেল প্রাইজ পাবার কারণে আমাদের সাথে অনেকেই কাজ করতে চাইবে। এটি একধরনের সুযোগ এবং এই সুযোগগুলি তোমরা ঠিক মত কাজে লাগাও। বা এক কথায় বললে আমাকে তোমরা কাজে লাগাও।” ড. ইউনুসের সাইটে কাজ করতে করতে আমি বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তি এর সাথে কাজ করতে হয়। সেগুলি হল: জুমলা, একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। একটি সাইট অনেকজন মিলে তৈরী করা এবং খবর, প্রবন্ধ ও ছবি সহজে সংযুক্ত করা। জুমলা এর বিভিন্ন ভাষার অনুবাদ এর সংযোগ। ইংরেজীর পাশাপাশি বাংলা, জার্মান, জাপানিজ, মিয়েনমার / বার্মিজ, চিন ভাষার সংযোগ করি। এই সংক্রান্ত কারিগরি সমস্যাগুলি সমাধান করি। পাঠকদের সাথে মতামত: আমরা সাইটটিতে পাঠকদের মতামত গ্রহন করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। যা একদিক দিয়ে আমাদের বেশ পীড়া দিয়েছিল। কেননা অনেকেই আজেবাজে মতামত দিচ্ছিল যা আমাদের প্রতিমুহুর্তে রিভিও করতে হোত। VoIP : আমাদের কাজের সমন্বয় করার জন্য একটি ভালো কনফারেন্স সিস্টেম এর খুব প্রয়োজন হয়েছিল। এই সময় তৌহিদ আমাদের সাথে পরিচয় করে দেয় Asterisk নামে একটি VoIP এর প্লাটফর্ম। আমরা সেটি ব্যবহার করা শুরু করি। নাজমুল ভাইয়ের বাসাতে আমাদের সার্ভারটি বসান হয়। আমাদের সবার কাছে ফোন সেট ছিল। এই প্রযুক্তি এর ফলে আমরা বিনামূল্যে সহজে যোগাযোগ করতে পারতাম। পরবর্তিতে এই প্রযুক্তিটি নিয়ে আমি ভালোমত কাজ করি। দেখি এটি বাংলাদেশে পরিচয় করে দেবার জন্য চমত্কার একটি প্রযুক্তি। Asterisk আমি ভালোমত শিখে নিই এবং পরবর্তিতে ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত আমি বাংলাদেশে এটি প্রয়োগ করি। উল্লেখ্য নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি প্রথম ভিওআইপি এর কোর্স শুরু করি, যা ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে বেশ পপুলার ছিল। সার্ভার: এই সময় লিনাক্স সার্ভার নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়। যা পরবর্তিতে আমাকে বেশ সাহায্য করেছিল। ২০০৭ এর শুরুতে সিদ্ধান্ত নিলাম বাংলাদেশে ফিরবো। ড. ইউনুসের অফিসে সরাসরি কাজ করতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু সেখানে কোন পজিশন না থাকায় আমি অন্য জায়গাগুলিতে চেষ্টা করছিলাম। এই সময় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ড. আউয়াল ভাই শিক্ষাকতা করছিলেন। তার মাধ্যমেই আমি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে আবেদন করি। তারা আমাকে ২০০৮ এর জানুয়ারিতে জয়ন করবার জন্য নিয়োগপত্র দেয়। ২০০৭ এর ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরে আসি।

Content actions

Download module as:

Add module to:

My Favorites (?)

'My Favorites' is a special kind of lens which you can use to bookmark modules and collections. 'My Favorites' can only be seen by you, and collections saved in 'My Favorites' can remember the last module you were on. You need an account to use 'My Favorites'.

| A lens I own (?)

Definition of a lens

Lenses

A lens is a custom view of the content in the repository. You can think of it as a fancy kind of list that will let you see content through the eyes of organizations and people you trust.

What is in a lens?

Lens makers point to materials (modules and collections), creating a guide that includes their own comments and descriptive tags about the content.

Who can create a lens?

Any individual member, a community, or a respected organization.

What are tags? tag icon

Tags are descriptors added by lens makers to help label content, attaching a vocabulary that is meaningful in the context of the lens.

| External bookmarks